728 x 90

 ডায়ালাইসিসের রাসায়নিক দিয়ে নকল সুগন্ধি জল—জনস্বাস্থ্যে ভয়াবহ হুমকি

 ডায়ালাইসিসের রাসায়নিক দিয়ে নকল সুগন্ধি জল—জনস্বাস্থ্যে ভয়াবহ হুমকি

কিডনি ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে বাজারে ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’ তৈরি হওয়ার ঘটনাটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ সংকেত হয়ে উঠেছে। যে রাসায়নিকগুলো মানবদেহ থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো খাদ্যপণ্যে ব্যবহৃত হলে তা সরাসরি দেহে মারাত্মক বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন এ ধরনের নকল সুগন্ধি জল ব্যবহার করলে কিডনি, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র আক্রান্ত

কিডনি ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে বাজারে ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’ তৈরি হওয়ার ঘটনাটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ সংকেত হয়ে উঠেছে। যে রাসায়নিকগুলো মানবদেহ থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো খাদ্যপণ্যে ব্যবহৃত হলে তা সরাসরি দেহে মারাত্মক বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন এ ধরনের নকল সুগন্ধি জল ব্যবহার করলে কিডনি, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজারে এসব নকল পণ্য কম খরচে সহজে উৎপাদন করা যায় বলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা না ভেবেই মানুষের জীবন নিয়ে বিপজ্জনক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ আছে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অস্বাস্থ্যকর কারখানায় এসব ‘সুগন্ধি জল’ কোনো মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই উৎপাদিত হচ্ছে। সেখানে ব্যবহৃত হয় শিল্পকারখানার সস্তা রাসায়নিক, ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত মারাত্মক উপাদান এবং বিভিন্ন কৃত্রিম সুগন্ধি। বোতলজাত করার পর বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে জনপ্রিয় ও পরিচিত ব্র্যান্ডের নামে। ফলে সাধারণ ক্রেতারা আসল-নকল বুঝতে না পেরে এসব ক্ষতিকর পণ্য রান্না, মিষ্টি, পানীয় ও নানা খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করছেন। খাদ্যগুণহীন এসব ভেজাল দ্রব্য শরীরে ধীরে ধীরে বিষ জমিয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে গুরুতর রোগে রূপ নিতে পারে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগ মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অপরাধচক্রকে পুরোপুরি দমন করা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যে ভেজাল রোধে কঠোর নজরদারি, উৎপাদন কারখানায় নিয়মিত পরিদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভোক্তাদের সচেতন হওয়াও অত্যন্ত প্রয়োজন, কারণ সস্তার লোভে ক্ষতিকর পণ্য কেনা শেষ পর্যন্ত নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এই বিষয়ে প্রশাসন, মিডিয়া এবং জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া নকল ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’ উৎপাদনের মতো ভয়াবহ অনিয়ম থামানো সম্ভব নয়।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos