পশ্চিমবঙ্গে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সামাজিক পরিমণ্ডলে নতুন করে আলোচনা ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঘোষণাটি আসার পরই বিভিন্ন দল, ধর্মীয় সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এর তাৎপর্য, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নানা মতামত প্রকাশ হতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের অতীত ইতিহাসে সংবেদনশীল এই নাম ব্যবহার করা নিজেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ,
পশ্চিমবঙ্গে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সামাজিক পরিমণ্ডলে নতুন করে আলোচনা ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঘোষণাটি আসার পরই বিভিন্ন দল, ধর্মীয় সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এর তাৎপর্য, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নানা মতামত প্রকাশ হতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের অতীত ইতিহাসে সংবেদনশীল এই নাম ব্যবহার করা নিজেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক উসকে দিতে পারে।
ঘোষণাকারীদের দাবি, এই উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনুভূতিকে সম্মান জানাবে। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনী রাজনীতিকে প্রভাবিত করার কৌশলও হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মুসলিম সংগঠনগুলো বিষয়টিকে স্বাগত জানালেও কিছু মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে—বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জমি বরাদ্দ এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে।
রাজ্য সরকার এখনো এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি, তবে প্রশাসনিক সূত্র বলছে, যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে সামাজিক শান্তি, আইনগত বৈধতা এবং স্থানীয়দের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ঘোষণাটিকে কেন্দ্র করে জনমত বিভক্ত হলেও এটি যে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠবে—তা নিশ্চিত।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *