বাংলাদেশে তৈরি জাহাজের প্রতি বিদেশে চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে, যার সর্বশেষ প্রমাণ সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিনটি নতুন ল্যান্ডিং ক্রাফট সফলভাবে পৌঁছানো। দেশীয় শিপইয়ার্ডগুলো এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক বাজারেও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা দেখাচ্ছে—নকশা, নির্মাণগুণ, নিরাপত্তা মান এবং সময়মতো সরবরাহের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশি জাহাজের সুনাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন করে আমিরাতে পাঠানো এই ল্যান্ডিং ক্রাফটগুলো বাণিজ্যিক পরিবহন,
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজের প্রতি বিদেশে চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে, যার সর্বশেষ প্রমাণ সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিনটি নতুন ল্যান্ডিং ক্রাফট সফলভাবে পৌঁছানো। দেশীয় শিপইয়ার্ডগুলো এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক বাজারেও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা দেখাচ্ছে—নকশা, নির্মাণগুণ, নিরাপত্তা মান এবং সময়মতো সরবরাহের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশি জাহাজের সুনাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন করে আমিরাতে পাঠানো এই ল্যান্ডিং ক্রাফটগুলো বাণিজ্যিক পরিবহন, উপকূলীয় নৌচলাচল এবং লজিস্টিক অপারেশনে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গেছে।
শিপবিল্ডিং সেক্টরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই ছোট ও মাঝারি আকারের নৌযান নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। উন্নতমানের স্টিল কাঠামো, দক্ষ প্রকৌশলী এবং তুলনামূলক কম খরচে জাহাজ তৈরি করার সক্ষমতা বিদেশি ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। আমিরাতের সামুদ্রিক ব্যবহারের উপযোগী করে বিশেষ নকশায় তৈরি এই ল্যান্ডিং ক্রাফটগুলো উচ্চ ভারবহন ক্ষমতা, স্থিতি এবং টেকসই ব্যবহারের জন্য উপযোগী। প্রতিটি জাহাজ আন্তর্জাতিক মান যাচাই পাস করে রপ্তানি হওয়ায় শিপবিল্ডিং শিল্পের প্রতি বিদেশি আস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে।
এই সফল রপ্তানি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শিল্পক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। শিপবিল্ডিং শিল্পে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ড ইমেজ শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি এই সাফল্য ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে আরও বড় অর্ডার পাওয়ার পথ খুলে দেবে। বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্প এখন বিশ্বমানে এগিয়ে যাচ্ছে—আর এই তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট তারই বাস্তব প্রমাণ।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *