728 x 90

সৌদির আগ্নেয় অঞ্চলে ভূমিকম্প, ইরাক-ইরান সীমান্তেও শক্তিশালী ঝাঁকুনি

সৌদির আগ্নেয় অঞ্চলে ভূমিকম্প, ইরাক-ইরান সীমান্তেও শক্তিশালী ঝাঁকুনি

২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর শনিবার সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৩.৪ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল হরাত আল-শাকা আগ্নেয় লাভাক্ষেত্র থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে—মদিনা অঞ্চলের আল-আইস ও তাবুকের উমলুজ গভর্নরেটের মাঝামাঝি এলাকায়। সৌদি জিওলজিক্যাল সার্ভে (এসজিএস) এই কম্পন তাদের জাতীয় সিসমিক নেটওয়ার্কে রেকর্ড করে। সোমবার সকাল পর্যন্ত এই ভূমিকম্প থেকে

২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর শনিবার সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৩.৪ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল হরাত আল-শাকা আগ্নেয় লাভাক্ষেত্র থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে—মদিনা অঞ্চলের আল-আইস ও তাবুকের উমলুজ গভর্নরেটের মাঝামাঝি এলাকায়। সৌদি জিওলজিক্যাল সার্ভে (এসজিএস) এই কম্পন তাদের জাতীয় সিসমিক নেটওয়ার্কে রেকর্ড করে। সোমবার সকাল পর্যন্ত এই ভূমিকম্প থেকে কোনো হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

প্রায় একই সময়ে উত্তর ইরাকের ইরান সীমান্তের কাছে রিখটার স্কেলে ৫.০–৫.০৯ মাত্রার একটি আলাদা শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার কম্পন পশ্চিম ইরানের বিভিন্ন অংশে এবং সামান্য মাত্রায় কিছু উপসাগরীয় এলাকায় অনুভূত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক সংস্থাগুলো এই ইরাকি ভূমিকম্প নিশ্চিত করলেও জানিয়েছে, এটি সীমান্ত অঞ্চলের বাইরে কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি করেনি। ইরাক ও ইরানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শুধু হালকা কম্পনের খবর দিয়েছে; কোনো প্রাণহানি বা বড় ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।

দুটি ভূমিকম্প ভিন্ন ভিন্ন টেকটোনিক অঞ্চলে সংঘটিত হওয়ায় একে অপরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। হরাত আল-শাকা সৌদি আরবের অন্যতম বড় ঐতিহাসিক আগ্নেয়গিরির ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত এবং এ ধরনের নিম্নমাত্রার কম্পন এখানে সাধারণ ঘটনা। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে কোনো কম্পন হলে সাধারণ নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos