728 x 90

গাজীপুর কেন্দ্রিক ভূমিকম্পে ঢাকায় অনুভূত হলো কম্পন

গাজীপুর কেন্দ্রিক ভূমিকম্পে ঢাকায় অনুভূত হলো কম্পন

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলগুলোতে বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫-এর বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ৩.৬ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে গাজীপুরের কালীগঞ্জ। ১০ কিলোমিটার গভীরতার এই অগভীর কম্পন কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হলেও কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি, আহত বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)-এর তথ্য

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলগুলোতে বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫-এর বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ৩.৬ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে গাজীপুরের কালীগঞ্জ। ১০ কিলোমিটার গভীরতার এই অগভীর কম্পন কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হলেও কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি, আহত বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)-এর তথ্য অনুসারে। উঁচু ভবনে বসবাসকারীরা সামান্য দোলানো অনুভব করেন এবং সতর্কতামূলকভাবে বাইরে বেরিয়ে আসেন, যা গতকালের কম্পনের মতোই আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এই ভূমিকম্পটি ২১ নভেম্বর থেকে চলমান ভূমিকম্প ধারাবাহিকতার সর্বশেষ ঘটনা, যখন নরসিংদীর মাধবদীর কাছে ৫.৭ মাত্রার (বিএমডি স্কেল) অথবা ৫.৪ মাত্রার (ইউএসজিএস) একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যাতে অন্তত ১০ জন নিহত হন—নরসিংদীতে ৫ জন, ঢাকায় ৪ জন এবং নারায়ণগঞ্জে ১ জন—এবং ৬০০-এর বেশি লোক আহত হন। ১০ কিলোমিটার গভীরতার সেই ২৬ সেকেন্ডের কম্পন শত শত ভবনের ক্ষতি করে, আগুন এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে এবং পালাশ ও ঘোড়াশালে ভূমি ফাটল ধারণ করে, যখন কলকাতা এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়। গাজীপুরে ২০০-এর বেশি গার্মেন্টস শ্রমিক আহত হন, যাদের অনেকেই লকড ফ্যাক্টরিতে আতঙ্কজনিত ছুটোছুটির কারণে।

পরবর্তী ৩১ ঘণ্টায় অন্তত তিনটি আফটারশক ঘটে: ২২ নভেম্বর সকালে নরসিংদীর পালাশে ৩.৩ মাত্রার, এবং সন্ধ্যায় ৬টা ০৬ মিনিটে ঢাকার বাড়িতে ৩.৭ মাত্রার এবং নরসিংদীতে ৪.৩ মাত্রার দুটি কম্পন। বিশেষজ্ঞরা এগুলোকে মধুবন ফল্টের স্ট্রেস মুক্তির সাথে যুক্ত করছেন, যা ভারতীয় প্লেটের ভূমধ্যস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ টেকটনিক অবস্থানের অংশ, যেখানে নরম আলুভিয়াল মাটি কম্পনকে আরও তীব্র করে। এ বছরে দেশ এবং আশেপাশে ৭৬টি ভূমিকম্প রেকর্ড করেছে, যা ভূমিকম্প-প্রতিরোধী নির্মাণের জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে—প্রধান কম্পনের পর রাজউকে ঢাকায় ৩০০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে এবং ৬.০+ মাত্রার একটি সম্ভাব্য ঘটনা লক্ষ লক্ষের ক্ষতি করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনুস ২৪ নভেম্বর বিশেষজ্ঞদের সাথে বৈঠক করে ভূমিকম্প প্রস্তুতি টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেন, যা জাপান এবং তুরস্কের মতো দেশের কোড অনুসরণের দাবি তুলেছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos