কক্সবাজার নদী বন্দরের সীমানায় দখলমুক্ত করা জায়গায় আবারও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ধুম পড়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ-এর যৌথ অভিযানে উচ্ছেদ করা হলেও, কয়েক দিনের মাথায় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় আবারও সেখানে গড়ে উঠছে স্থায়ী ও অস্থায়ী ঘরবাড়ি। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁকখালী নদীর তীর ঘেঁষে থাকা নদী বন্দরের জায়গাগুলোতে রাতের আঁধারে খুঁটি পুঁতে এবং টিন দিয়ে
কক্সবাজার নদী বন্দরের সীমানায় দখলমুক্ত করা জায়গায় আবারও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ধুম পড়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ-এর যৌথ অভিযানে উচ্ছেদ করা হলেও, কয়েক দিনের মাথায় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় আবারও সেখানে গড়ে উঠছে স্থায়ী ও অস্থায়ী ঘরবাড়ি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁকখালী নদীর তীর ঘেঁষে থাকা নদী বন্দরের জায়গাগুলোতে রাতের আঁধারে খুঁটি পুঁতে এবং টিন দিয়ে ঘেরাও করে নতুন করে স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কড়া নজরদারির অভাবেই ভূমিদস্যুরা পুনরায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক দিনের মধ্যেই আবারও দখল হয়ে যাওয়ায় সরকারি অর্থের অপচয় এবং উচ্ছেদ অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা।
নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং খুব শীঘ্রই আবারও বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। তবে বারবার উচ্ছেদ করার পরও কেন স্থায়ীভাবে সীমানা প্রাচীর দিয়ে জায়গাটি সুরক্ষিত করা হচ্ছে না, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *