ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মৌসাভি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল, ২০২৬) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতির সময়কালকে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মোক্ষম সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে উন্নত প্রযুক্তির মিসাইল এবং
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মৌসাভি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল, ২০২৬) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতির সময়কালকে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মোক্ষম সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে উন্নত প্রযুক্তির মিসাইল এবং আত্মঘাতী ড্রোনের মজুত বহুগুণ বাড়ানো হচ্ছে। কমান্ডার মৌসাভি স্পষ্ট করে বলেন, যে কোনো ধরনের বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে তেহরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত।
ইরানের এই সামরিক তৎপরতা মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোনগুলোর আধুনিকায়ন করছে, যা দীর্ঘ দূরত্বে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষম। মজিদ মৌসাভি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তারা চাহিদানুযায়ী যেকোনো পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষম। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই দ্রুত মজুত বৃদ্ধির ঘোষণা মূলত পশ্চিমা দেশগুলো এবং ইসরায়েলের প্রতি একটি সতর্কবার্তা। এই পদক্ষেপের ফলে ওই অঞ্চলে নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *