728 x 90

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ছাড়ালো ৫০০

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ছাড়ালো ৫০০

স্বাস্থ্য ডেস্ক | ২৩ মে ২০২৬ দেশজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর মিছিল কোনোভাবেই টেনে ধরা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় এই মারাত্মক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১৩ জন শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। এই নতুন প্রাণহানির ফলে চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত

স্বাস্থ্য ডেস্ক | ২৩ মে ২০২৬

দেশজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর মিছিল কোনোভাবেই টেনে ধরা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় এই মারাত্মক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১৩ জন শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। এই নতুন প্রাণহানির ফলে চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত হামের প্রকোপে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১২ জনে। আজ শনিবার (২৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশব্যাপী হামের এই ভয়াবহ ও আশঙ্কাজনক সর্বশেষ পরিসংখ্যান নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনই মারা গেছে তীব্র হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন হিসেবে এবং ১ জনের শরীরে ল্যাবরেটরি টেস্টে নিশ্চিতভাবে হামের ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই হিসাব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হামের উপসর্গে মোট ৪২৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৮৬ জন মারা গেছে, যার সিংহভাগই শিশু। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৬৫ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, যা নিয়ে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৯৪ জনে। এছাড়া একই সময়ে ১ হাজার ৯৬৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রিপোর্ট করেছেন, ফলে সন্দেহভাজন মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৫০৭ জনে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ পার হয়ে যাওয়া এবং সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৬২ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়া প্রমাণ করে যে সংক্রমণটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কমিউনিটি পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে শিশুদের হামের টিকাদানের হার (MR Vaccine) কমে যাওয়া এবং গ্রীষ্মকালীন তীব্র গরম ও আবহাওয়ার পরিবর্তন এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইতিমধ্যেই আক্রান্ত জেলাগুলোতে বিশেষ মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে এবং আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা শিশুদের শরীরে তীব্র জ্বর, চোখ লাল হওয়া ও চামড়ায় লালচে র্যাশ দেখা দিলে অবহেলা না করে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে বা চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়ার জন্য অভিভাবকদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories