যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার দীর্ঘ ৪ মাস পর, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রথম জানাজা রোববার (৫ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রখ্যাত আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানীর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই লাখ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার দীর্ঘ ৪ মাস পর, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রথম জানাজা রোববার (৫ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রখ্যাত আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানীর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে। সকাল ৭টায় কফিন প্রাঙ্গণে আনা হলে পুরো মোসাল্লা কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং উপস্থিত জনতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে স্লোগান দেয়। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবং প্রাণনাশের সুনির্দিষ্ট হুমকির মাঝেই জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন আলী খামেনির তিন পুত্র—মোস্তফা, মাসুদ এবং মেসাম হোসেইনি খামেনি; তবে খামেনির আরেক প্রভাবশালী পুত্র মোজতবা খামেনিকে সেখানে দেখা যায়নি। এই ঐতিহাসিক জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, বিচার বিভাগীয় প্রধান গোলামহোসেন মোহসেনি এজেই এবং ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) কমান্ডার আহমেদ ভাহিদীসহ অন্তত ১০০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। তেহরান, কোম এবং ইরাকের কারবালা ও নাজাফ হয়ে প্রায় ২ কোটি মানুষের অংশগ্রহণে সাতদিনের এই বিদায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তাঁর মরদেহ চূড়ান্তভাবে দাফন করা হবে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *