728 x 90

হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে জরুরি মামলা দায়ের করেছে সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো

হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে জরুরি মামলা দায়ের করেছে সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক হোয়াইট হাউসে প্রবেশে অযৌক্তিক নিষেধাজ্ঞার শিকার হওয়া তিন শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম—সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো—সাংবাদিকতার অধিকার পুনরুদ্ধার করতে প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি জরুরি মামলা দায়ের করেছে। সোমবার ওয়াশিংটন ডিসি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে দায়ের করা এই মামলায় গণমাধ্যমগুলো জোরালোভাবে দাবি করেছে যে, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে শুধুমাত্র প্রকাশিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক হোয়াইট হাউসে প্রবেশে অযৌক্তিক নিষেধাজ্ঞার শিকার হওয়া তিন শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম—সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো—সাংবাদিকতার অধিকার পুনরুদ্ধার করতে প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি জরুরি মামলা দায়ের করেছে। সোমবার ওয়াশিংটন ডিসি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে দায়ের করা এই মামলায় গণমাধ্যমগুলো জোরালোভাবে দাবি করেছে যে, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে শুধুমাত্র প্রকাশিত সংবাদের বিষয়বস্তু পছন্দ না হওয়ার কারণে সাংবাদিকদের প্রেস পাস বাতিল করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী বা ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্টের সরাসরি লঙ্ঘন এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর এক গভীর আঘাত। এর আগে গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই তিন সংবাদমাধ্যমকে ‘নেতিবাচক খবর’ প্রকাশের জন্য অভিযুক্ত করেন এবং সোমবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তাদের ‘ফেক নিউজ’ ও ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’ আখ্যা দিয়ে তাদের থামানোর ঘোষণা দেন। এই আদেশের পর সিক্রেট সার্ভিস তাৎক্ষণিকভাবে ওই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রেস পাস বাজেয়াপ্ত করে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা দেয়, যার ফলে সাংবাদিকরা তাদের নির্দিষ্ট ওয়ার্কস্পেস, সম্প্রচার সরঞ্জাম ব্যবহার এবং প্রেসিডেন্টের পুল কভারেজ থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হন। সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষে এই আইনি লড়াই পরিচালনা করছেন প্রখ্যাত ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট আইনজীবী টেড বুট্রোস, যিনি ২০১৮ সালে সাংবাদিক জিম অ্যাকোস্টার মামলা এবং ১৯৭৭ সালের ঐতিহাসিক রায়গুলোকে নজির হিসেবে তুলে ধরে মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে প্রবেশাধিকার কেড়ে নেওয়াকে সম্পূর্ণ বেআইনি হিসেবে অভিহিত করেছেন। ট্রাম্প-নিযুক্ত বিচারক টিমোথি জে. কেলির আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে এবং হোয়াইট হাউসে ভৌত প্রবেশাধিকার সীমিত করা হলেও প্রশাসন নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও স্বাধীন সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দিয়েছে গণমাধ্যমগুলো।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories