যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় ঘটে গেছে এক অভাবনীয় ঘটনা। প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর মারা যাওয়ার কথা থাকলেও, ৫০ বছর বয়সী সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইক অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন এবং বর্তমানে কথা বলছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবীরা। ১৯৯৫ সালে সহপাঠী কোলিন স্লেমারকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে ১৯৯৬ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। গত সপ্তাহে
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় ঘটে গেছে এক অভাবনীয় ঘটনা। প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর মারা যাওয়ার কথা থাকলেও, ৫০ বছর বয়সী সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইক অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন এবং বর্তমানে কথা বলছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবীরা। ১৯৯৫ সালে সহপাঠী কোলিন স্লেমারকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে ১৯৯৬ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। গত সপ্তাহে নির্ধারিত দিনে ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হলেও দুই দফা রাসায়নিক দেওয়ার পরও তার মৃত্যু হয়নি। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কয়েকদিনের চেষ্টার পর তার জ্ঞান ফেরে। অপরাধবিজ্ঞানী ও আইনজীবীদের মতে, শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রবেশ করানোর পরেও এভাবে কোনো বন্দির বেঁচে ওঠার ঘটনা ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য এক বিস্ময়কর অধ্যায়।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *