728 x 90

অভিনয়ের পাশাপাশি পেশাদার শুটার হিসেবেও অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন নানা পাটেকর, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সেও জয় করেছিলেন জাতীয় পদক।

অভিনয়ের পাশাপাশি পেশাদার শুটার হিসেবেও অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন নানা পাটেকর, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সেও জয় করেছিলেন জাতীয় পদক।

 চলচ্চিত্র অভিনেতা বললেই সাধারণত লাইট-ক্যামেরার ব্যস্ততার কথাই মাথায় আসে। তবে কিংবদন্তি অভিনেতা নানা পাটেকরের পরিচয় কেবল অভিনয়েই সীমাবদ্ধ ছিল না; জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই গুণী শিল্পী একাধারে ছিলেন একজন পেশাদার শুটারও। দীর্ঘ দশক ধরে তিনি রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন রাইফেল শুটিং প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত সফলভাবে অংশ নিয়েছিলেন। শুটিংয়ে অসাধারণ দক্ষতার সুবাদে তিনি ‘রেনাউন্ড শট’ বা ‘খ্যাতিমান

 চলচ্চিত্র অভিনেতা বললেই সাধারণত লাইট-ক্যামেরার ব্যস্ততার কথাই মাথায় আসে। তবে কিংবদন্তি অভিনেতা নানা পাটেকরের পরিচয় কেবল অভিনয়েই সীমাবদ্ধ ছিল না; জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই গুণী শিল্পী একাধারে ছিলেন একজন পেশাদার শুটারও। দীর্ঘ দশক ধরে তিনি রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন রাইফেল শুটিং প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত সফলভাবে অংশ নিয়েছিলেন। শুটিংয়ে অসাধারণ দক্ষতার সুবাদে তিনি ‘রেনাউন্ড শট’ বা ‘খ্যাতিমান শুটার’ হিসেবেও বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিলেন। ২০১১ সালে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শুটিংয়ে আসার পেছনের গল্প শেয়ার করে তিনি জানান, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গিয়ে বন্দুক দিয়ে নিশানা অনুশীলনের সুযোগ পেতেন তিনি। এভাবেই ধীরে ধীরে তার নিশানা নিখুঁত হয়ে ওঠে এবং একসময় মিনারেল ওয়াটারের বোতলের ছোট ক্যাপের মতো ক্ষুদ্র লক্ষ্যবস্তুতেও তিনি সঠিকভাবে গুলি চালাতে শুরু করেন।

জানা যায়, ২০০১ সালের দিকে প্রায় ৪৯ বছর বয়সে তিনি প্রতিযোগিতামূলক শুটিংয়ে নাম লেখান। ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন এবং ৩০০ মিটার বিগ-বোর ইভেন্টে নিয়মিত অংশ নিতেন তিনি। পুনের বালেওয়াড়ি ও মধ্যপ্রদেশের মহুর শুটিং রেঞ্জে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। মূলত ১৯৯১ সালের ‘প্রহার’ সিনেমার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা শুটিংয়ে তাকে দারুণভাবে সাহায্য করেছিল। ২০০৪ সালে ইন্দোরের বিএসএফ রেওতি রেঞ্জে অনুষ্ঠিত ৪৮তম জাতীয় শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের ৩০০ মিটার বিগ-বোর ইভেন্টে রুপার পদক অর্জন করেন নানা পাটেকর। এর তিন বছর পর ২০০৭ সালের একই প্রতিযোগিতায় মহারাষ্ট্রের হয়ে দলগত ব্রোঞ্জ পদকও জিতে নেন তিনি। সেবার ৬০০-এর মধ্যে ৫৪৯ পয়েন্ট অর্জন করে ৪৯ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ১৩তম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি। ২০০৭ সালের এই সাফল্যের পর ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া তাকে ‘রেনাউন্ড শট’ উপাধিতে ভূষিত করে, যার সুবাদে তিনি শুল্ক ছাড়াই একটি রাইফেল আমদানির সুযোগ পেয়েছিলেন। জীবনের শেষ পর্যন্ত শুটিংয়ের প্রতি তার এই গভীর অনুরাগ ও শখ অটুট ছিল।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories