বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে। ২০১৩ সালের এক জরিপে নগরীর ৩৪টি ভবনকে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও ভবন মালিক ও ভাড়াটিয়াদের মামলার কারণে সংস্থাটির সেই উদ্যোগ দীর্ঘ দশ বছর ধরে ব্যর্থ হয়েছিল। আইনি জটিলতার কারণে এই বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন পরবর্তীতে আর তৎপরতা দেখায়নি। আজ শুক্রবার (দিনটি প্রয়োজন হলে
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে। ২০১৩ সালের এক জরিপে নগরীর ৩৪টি ভবনকে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও ভবন মালিক ও ভাড়াটিয়াদের মামলার কারণে সংস্থাটির সেই উদ্যোগ দীর্ঘ দশ বছর ধরে ব্যর্থ হয়েছিল। আইনি জটিলতার কারণে এই বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন পরবর্তীতে আর তৎপরতা দেখায়নি।
আজ শুক্রবার (দিনটি প্রয়োজন হলে বসানো যেতে পারে) সিটি কর্পোরেশন সদর রোডের একটি তিনতলা ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে।
ভবনটির মালিক নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তাঁর চাচা উলফাত হাজি এবং শুক্কুর হাজি ১৯৬০ ও তার ৩০ বছর পর আরও একটি ভবন নির্মাণ করেন। ২০১৩ সালে একটি পাকা ভবনে ফাটল দেখা দিলে এবং এটি পাশের ভবনের দিকে হেলে পড়লে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে প্রভাবশালী ভাড়াটেরা জোর করে ভবন দখলে রাখায় সে সময় ভবনটি ভাঙা সম্ভব হয়নি।
নজরুল ইসলাম জানান, সরকার পরিবর্তনের পর তিনি ভবনটি ভাঙার জন্য সিটি কর্পোরেশনে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা জমা দেন। এরপর আজ শুক্রবার ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হলো।
এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানান, ‘উলফাত এবং শাকুর ম্যানশন’ নামের ভবন দুটি ভাঙার জন্য আগেও নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ভাড়াটেরা আদালতে গেলে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। তিনি বলেন, “আমরা কোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রায় পেয়েছি। শুক্রবার সকালে তাদের চূড়ান্তভাবে চলে যাওয়ার নোটিশ দিয়ে ভবন ভাঙা শুরু হয়।”
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *