728 x 90

শিশু মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে

শিশু মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে

দেশের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে—এই বৈষম্য স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত চ্যালেঞ্জকে স্পষ্ট করে তোলে। সিলেটে শিশু মৃত্যুহার বেশি হওয়ার পেছনে কারণ হিসেবে দারিদ্র্য, চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতি, মাতৃস্বাস্থ্যসেবার দুর্বলতা এবং সচেতনতার অভাবকে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন। পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলের কারণে সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে দেরি হয়, যা

দেশের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে—এই বৈষম্য স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত চ্যালেঞ্জকে স্পষ্ট করে তোলে। সিলেটে শিশু মৃত্যুহার বেশি হওয়ার পেছনে কারণ হিসেবে দারিদ্র্য, চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতি, মাতৃস্বাস্থ্যসেবার দুর্বলতা এবং সচেতনতার অভাবকে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন। পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলের কারণে সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে দেরি হয়, যা নবজাতক ও শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি বাড়ায়। অন্যদিকে, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া অনেক সময় জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান সৃষ্টি করে, যা পরিসংখ্যানে নেতিবাচক প্রতিফলন ঘটায়।

খুলনা বিভাগে শিশু মৃত্যুহার সবচেয়ে কম হওয়া দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন সম্ভাবনার একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়। খুলনায় স্বাস্থ্যসেবা তুলনামূলকভাবে সুগঠিত, প্রসূতি সেবা ও টিকাদান কার্যক্রম শক্তিশালী এবং মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা রয়েছে। নগরায়ণ ও অবকাঠামোগত উন্নতির ফলে স্বাস্থ্যসেবায় পৌঁছানো সহজ হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে শিশু মৃত্যুহারে। তাছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ দীর্ঘদিন ধরেই শিশুমৃত্যু কমাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা ফলাফলকে আরো স্থিতিশীল করেছে। উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা কীভাবে জনস্বাস্থ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে, খুলনা তার একটি কার্যকর উদাহরণ।

এই আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করতে নীতিনির্ধারকদের আরও সুসংগঠিত উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগে প্রসূতি ও নবজাতক সেবা জোরদার করা, গ্রামীণ মাতৃস্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি, টিকাদান কার্যক্রম বিস্তৃত করা এবং পুষ্টিহীনতা কমাতে সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি বাড়ানো প্রয়োজন। দেশের সব অঞ্চলে সমান স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত শিশু মৃত্যুহার কমানো চ্যালেঞ্জ হিসেবেই থাকবে। তাই সমন্বিত উদ্যোগ, পরিকল্পিত বরাদ্দ এবং দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর কৌশলই এই সংকট মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos