728 x 90

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে তালা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে তালা

অনিয়মের অভিযোগ তুলে হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে তালা লাগানো শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি তীব্র অসন্তোষের প্রতিফলন। ছাত্রদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আবাসন বরাদ্দ, সিট বণ্টন, খাবারের মান, তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অনিয়ম চলছে, কিন্তু এসব বিষয়ে প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি ক্রমে এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ দাবি-দাওয়া

অনিয়মের অভিযোগ তুলে হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে তালা লাগানো শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি তীব্র অসন্তোষের প্রতিফলন। ছাত্রদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আবাসন বরাদ্দ, সিট বণ্টন, খাবারের মান, তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অনিয়ম চলছে, কিন্তু এসব বিষয়ে প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি ক্রমে এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ দাবি-দাওয়া উপেক্ষিত দেখে কঠোর প্রতিক্রিয়ার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। এই তালাবদ্ধ কর্মসূচি তাদের অসন্তুষ্টি এবং চাপ প্রয়োগের একটি প্রতীকী প্রকাশ।

হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পর সাধারণত তদন্ত বা আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক সময় এসব প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, যা শিক্ষার্থীদের আরও ক্ষুব্ধ করে তোলে। শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, অভিযোগের দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্ত না হলে তারা আন্দোলন আরও জোরদার করবেন। পাশাপাশি তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন সিট বণ্টন থেকে শুরু করে খাদ্য সরবরাহ পর্যন্ত সব ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা, তথ্য প্রকাশ এবং সুষ্ঠু জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। প্রাধ্যক্ষের কক্ষ তালাবদ্ধ হওয়াটা মূলত প্রশাসনের প্রতি ‘জবাবদিহিতার দাবি’র শক্ত বার্তা।

এই ঘটনার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশে উত্তেজনা তৈরি হলেও এটি আবারও প্রমাণ করে যে শিক্ষার্থীরা ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে এখন আরও সচেতন। প্রশাসনের উচিত দ্রুত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে পরিস্থিতি আর না জটিল হয়। দীর্ঘমেয়াদে হলে ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল মনিটরিং, অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল এবং নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম চালু করা হলে এমন সংকট প্রতিরোধ করা যেতে পারে। সব মিলিয়ে, শিক্ষার্থীদের তালাবদ্ধ কর্মসূচি শুধু একটি প্রতিবাদ নয়—এটি একটি সংস্কার দাবির প্রতিচ্ছবি, যা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালোভাবে সামনে এনেছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos