গত ১৪ মাসে খুলনা জেলায় ৯৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে খুলনা নগরীতে ৪৬ জন নিহত, এবং নভেম্বর মাসেই নগরীতে ৫ জন খুন হয়েছে, পুলিশের তথ্য এবং স্থানীয় রিপোর্ট অনুসারে। মাদক ব্যবসা, পূর্ববর্তী দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্যের লড়াই এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ, যা সুরক্ষিত এলাকা যেমন আদালতপাড়াতেও দিবালোক হামলায় পরিণত হয়েছে, যা নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
গত ১৪ মাসে খুলনা জেলায় ৯৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে খুলনা নগরীতে ৪৬ জন নিহত, এবং নভেম্বর মাসেই নগরীতে ৫ জন খুন হয়েছে, পুলিশের তথ্য এবং স্থানীয় রিপোর্ট অনুসারে। মাদক ব্যবসা, পূর্ববর্তী দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্যের লড়াই এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ, যা সুরক্ষিত এলাকা যেমন আদালতপাড়াতেও দিবালোক হামলায় পরিণত হয়েছে, যা নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ৩০ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগর ডায়েরা জজ আদালতের গেটে অস্ত্র মামলার হাজিরায় হাজির হাজিরা দিতে গিয়ে হাসিব হাওলাদার (৩১) এবং ফজলে রাব্বি রাজন (৩৫)-কে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, আসামিরা পুলিশ সুপার অফিসের মাত্র ৩০০ ফুট দূরে থেকে বীরদর্পে পালায়। মাত্র ১৪ দিন আগে ১৬ নভেম্বর মোল্লাপাড়ায় জমি বিরোধে ভাড়াটে খুনির হাতে দুই শিশু এবং তাদের নানিকে বাসার ভিতর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, শিশুদের দেহ মুরগির খামারে ফেলে দেওয়া হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, মাসিক ৭০-১০০ কোটি টাকার মাদক ব্যবসা, জেলে থাকা গ্যাং লিডার আর্মান ও নুর আজিমের নির্দেশে কার্যক্রম এবং ভারত থেকে অস্ত্র আমদানি এর পেছনে কারণ। ২০২৫-এর ১১ সেপ্টেম্বর নগরীর ৮টি থানার ওসি স্থানান্তর সত্ত্বেও খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব বাবুল হাওলাদার, মহানগর ডায়েরা জজ পিপি এ কে এম শহিদুল আলম এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সমন্বয়কারী মমিনুল ইসলাম প্রশাসনের অকর্মণ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ২০২৪-এর আগস্ট থেকে নগরীতে ৪৫ খুন—পূর্ববর্তী বছরের দ্বিগুণ—জাতীয় গড় ১১ খুন প্রতিদিনের মধ্যে খুলনাকে অগ্রণী করে তুলেছে। অস্ত্র জব্দ এবং গ্রেফতার চললেও মূল নেতারা পলাতক, দৌলতপুর এবং খান জাহান আলী এলাকায় আতঙ্ক বাড়ছে; খুলনাবাসীর আশা, প্রশাসন অপরাধ দমনে সক্রিয় হবে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *