ইংল্যান্ডের সাফল্কের বার্নহাম গ্রামের কাছে একটি প্রাচীন কাদামাটির খাদে প্রত্নতাত্ত্বিকরা মানুষের ইচ্ছাকৃত আগুন জ্বালানোর সবচেয়ে পুরনো প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন — প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার বছর আগের। এতদিন ফ্রান্সের এক গুহায় পাওয়া ৭০ হাজার বছর পুরনো নিদর্শনকেই প্রাচীনতম মনে করা হতো। সাইটে বারবার ব্যবহৃত অগ্নিকুণ্ডের অবশেষ, পোড়া মাটি, প্রচণ্ড তাপে ফেটে যাওয়া চকমকি পাথরের হাতিয়ার
ইংল্যান্ডের সাফল্কের বার্নহাম গ্রামের কাছে একটি প্রাচীন কাদামাটির খাদে প্রত্নতাত্ত্বিকরা মানুষের ইচ্ছাকৃত আগুন জ্বালানোর সবচেয়ে পুরনো প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন — প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার বছর আগের। এতদিন ফ্রান্সের এক গুহায় পাওয়া ৭০ হাজার বছর পুরনো নিদর্শনকেই প্রাচীনতম মনে করা হতো।
সাইটে বারবার ব্যবহৃত অগ্নিকুণ্ডের অবশেষ, পোড়া মাটি, প্রচণ্ড তাপে ফেটে যাওয়া চকমকি পাথরের হাতিয়ার এবং আয়রন পাইরাইট (চকমকির সঙ্গে ঘষলে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়) পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ মিউজিয়ামের প্যালিওলিথিক কিউরেটর নিক অ্যাশটন বলেন, পাইরাইট ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন জ্বালানোর জন্য আনা হয়েছিল। তাপমাত্রা ৭০০° সেলসিয়াসের ওপরে ছিল, যা প্রাকৃতিক দাবানল নয় বরং মানুষের সচেতন কাজ প্রমাণ করে।
আগুন মানব বিবর্তনে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে — রান্না করা খাবার মস্তিষ্কের দ্রুত বিকাশ ঘটিয়েছে, শীত থেকে রক্ষা করেছে এবং সমাজ গঠনে সাহায্য করেছে। সহ-লেখক রব ডেভিস বলেন, অগ্নিকুণ্ড ছিল প্রথম সামাজিক কেন্দ্রবিন্দু — যেখানে মানুষ একত্রিত হয়ে খাবার ভাগ করে খেত এবং গল্প-ভাষা-সংস্কৃতির বিকাশ শুরু হয়েছিল।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *