যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের মুখে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনাও
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের মুখে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনাও স্থগিত রেখেছে তেহরান।” এর আগে ট্রাম্প ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে ‘সহায়তা আসছে’ বলে বার্তা দিয়েছিলেন। এমনকি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে ‘ভয়াবহ পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এরফান সোলতানি নামের এক তরুণ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের খবর সামনে আসে, যাকে মাত্র দুই দিনের বিচারে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, তেহরানের পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে নেই। তবে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় তা তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প এখনো খোলা রেখেছেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য সামরিক হামলা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চাপ থেকে বাঁচতেই ইরান আপাতত নমনীয় অবস্থান নিয়েছে। তবে এই আশ্বাস কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে এখনো সংশয় রয়েছে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *