যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা প্রদান বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন সূত্রের খবর অনুযায়ী, যেসব দেশ থেকে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা বেশি কিংবা যেসব দেশ নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করছে, তাদের বিরুদ্ধেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মূলত
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা প্রদান বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন সূত্রের খবর অনুযায়ী, যেসব দেশ থেকে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা বেশি কিংবা যেসব দেশ নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করছে, তাদের বিরুদ্ধেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মূলত মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারের ভারসাম্য রক্ষা করতেই ট্রাম্প এই ‘ভিসা ব্যান’ কার্যকর করতে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের সম্ভাব্য এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নাম থাকায় প্রবাসী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দেশগুলোর নাগরিকদের ট্যুরিস্ট, স্টুডেন্ট এবং ওয়ার্ক ভিসাসহ সব ধরনের ক্যাটাগরিতে কঠোর বিধিনিষেধ বা সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি হতে পারে। ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণাতেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই তিনি অবৈধ অভিবাসন বন্ধে ‘সবচেয়ে বড় গণ-বিতাড়ন’ কার্যক্রম শুরু করবেন। এই ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে সেই পরিকল্পনারই প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি নিয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এই আদেশ কার্যকর হলে হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীরা সরাসরি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *