ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি আইন আল-আসাদ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট বাহিনী তাদের প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, ইরাকি সেনাবাহিনী এখন এই ঘাঁটির পূর্ণ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। ইরাকি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল আমির
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি আইন আল-আসাদ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট বাহিনী তাদের প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, ইরাকি সেনাবাহিনী এখন এই ঘাঁটির পূর্ণ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
ইরাকি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল আমির রশিদ ইয়ারাল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে ঘাঁটির বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়া তদারকি করেন। তিনি জানান, বিশেষায়িত ৬৫তম স্পেশাল ফোর্সেস ব্রিগেডসহ বিভিন্ন ফর্মেশন এখন ঘাঁটির নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ২০২৪ সালে বাগদাদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর থেকে এটি মার্কিন বাহিনীর অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর এই ঘাঁটিটি ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। দীর্ঘ ২২ বছর পর বিদেশি সেনাদের বিদায় এবং নিজস্ব সেনাবাহিনীর হাতে ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসাকে ইরাকি সার্বভৌমত্বের বড় জয় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *