যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নতুন করে হুমকি দেওয়ার পর, ডেনমার্কের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে সংহতি জানাতে গ্রিনল্যান্ডে নিজেদের প্রথম কনস্যুলেট খুলেছে কানাডা ও ফ্রান্স। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক-এ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কূটনৈতিক মিশনগুলোর উদ্বোধন করা হয়। কানাডার গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নতুন করে হুমকি দেওয়ার পর, ডেনমার্কের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে সংহতি জানাতে গ্রিনল্যান্ডে নিজেদের প্রথম কনস্যুলেট খুলেছে কানাডা ও ফ্রান্স। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক-এ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কূটনৈতিক মিশনগুলোর উদ্বোধন করা হয়। কানাডার গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম দেশ হিসেবে সেখানে স্থায়ী কনস্যুলেট স্থাপন করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের ‘গ্রিনল্যান্ড দখল’ বা শুল্ক আরোপের হুমকির বিপরীতে এটি ন্যাটো মিত্রদের একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। নতুন এই কনস্যুলেটগুলো কেবল রাজনৈতিক উপস্থিতিই নয়, বরং আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আদিবাসী ইনুইট জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সরাসরি কাজ করবে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *