বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্প বর্তমানে এক নজিরবিহীন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকটের তীব্রতা এবং নীতিগত অব্যবস্থাপনার কারণে এরই মধ্যে ২২০টিরও বেশি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। টেক্সটাইল মিল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ (BTMA) জানিয়েছে, গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশে নেমে
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্প বর্তমানে এক নজিরবিহীন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকটের তীব্রতা এবং নীতিগত অব্যবস্থাপনার কারণে এরই মধ্যে ২২০টিরও বেশি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। টেক্সটাইল মিল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ (BTMA) জানিয়েছে, গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধার অপব্যবহার—যার ফলে বিদেশি সুতা অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি হওয়ায় দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ২.৪৩ শতাংশ কমেছে এবং অনেক বায়ার ইতিমধ্যে তাদের অর্ডার অন্য দেশে সরিয়ে নিচ্ছেন। বিজিএমইএ (BGMEA) নেতারা সতর্ক করেছেন যে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের কারখানাগুলো বেতন-বোনাস পরিশোধে চরম হিমশিম খাচ্ছে। সংকট উত্তরণে সরকারকে অবিলম্বে শিল্পবান্ধব জ্বালানি নীতি এবং বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *