মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টেলিভিশন ভাষণের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের উথাল-পাথাল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এশীয় ও ইউরোপীয় বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮.১৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং মার্কিন বেঞ্চমার্ক ক্রুড তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬.৫৫ ডলারে। বাজার বিশ্লেষকরা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টেলিভিশন ভাষণের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের উথাল-পাথাল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এশীয় ও ইউরোপীয় বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮.১৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং মার্কিন বেঞ্চমার্ক ক্রুড তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬.৫৫ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের ভাষণে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকা এবং ইরানকে “প্রস্তর যুগে” ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেলের রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় চালু করা নিয়ে ট্রাম্প কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। উল্টো তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে আরও জোরালো হামলা চালানো হবে।
বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মোনেক্স-এর প্রধান কৌশলবিদ তাকাশি হিরোকি জানান, বাজার প্রত্যাশা করেছিল ট্রাম্প হয়তো যুদ্ধবিরতির কোনো ইঙ্গিত দেবেন, কিন্তু তার পরিবর্তে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আভাস পাওয়ায় তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। তেলের এই দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে এবং ডলারের মান শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের এই উত্তেজনা বজায় থাকলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *