অনলাইন ডেস্ক | ৩০ মে ২০২৬ ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ চলাকালীন দেশটির বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় কয়েক ডজন প্রকাণ্ড বিমান হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মার্কিন শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের (WSJ) এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য (ইন্টেল) ব্যবহার করে আমিরাত এই মেগা সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
অনলাইন ডেস্ক | ৩০ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ চলাকালীন দেশটির বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় কয়েক ডজন প্রকাণ্ড বিমান হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মার্কিন শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের (WSJ) এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য (ইন্টেল) ব্যবহার করে আমিরাত এই মেগা সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। মূলত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আমিরাতের নিজস্ব তেল ও গ্যাস স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব হিসেবেই আবুধাবি এই কড়া পদক্ষেপ নেয়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধ চলাকালে ইরান ইউএই লক্ষ্য করে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি—প্রায় ২ হাজার ৮শ’টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। এর জবাবে আমিরাতের বিমান বাহিনী হরমুজ প্রণালির কৌশলগত কেশম ও আবু মুসা দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং লাভান দ্বীপের প্রধান তেল শোধনাগারসহ ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রকাণ্ড হামলা চালায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে আসালুইয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সেও হামলা চালায় ইউএই, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সে সময় ইসরায়েলকে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের প্রকাণ্ড আহ্বান জানিয়েছিলেন; যদিও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন যে আসালুইয়েহ গ্যাস কমপ্লেক্সের ওই হামলায় ইসরায়েল একাই জড়িত ছিল।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইউএই ও ইসরায়েলের সামরিক সম্পর্ক এক নজিরবিহীন ও প্রকাণ্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইসরায়েল ইতিমধ্যে ইউএই-তে তাদের বিখ্যাত ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সেনা মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি যুদ্ধ চলাকালে মোসাদ প্রধান, শিন বেত প্রধান এবং আইডিএফ চিফ অব স্টাফসহ একাধিক শীর্ষ ইসরায়েলি সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা গোপনে আমিরাত সফর করেছেন। এদিকে, ইরানবিরোধী এই সামরিক পদক্ষেপে অংশ না নেওয়ায় প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব ও কাতারের ওপর চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর তিনি আঞ্চলিক যৌথ প্রতিক্রিয়া গড়ে তুলতে চাইলেও রিয়াদ ও দোহা তাতে সাড়া দেয়নি। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক মতপার্থক্য ও ফাটলকে আরও প্রকাণ্ড করার পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঘনিষ্ঠতার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সোয়াদ, এখন বিকেল ৫টা বেজে ৪ মিনিট। আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক ডেস্কে প্রকাশের জন্য এটি এই মুহূর্তের সবচেয়ে সেনসেশনাল ও বিশ্ব কাঁপানো একটি ‘UAE Airstrikes On Iran, US-Israeli Intelligence Collaboration, WSJ Exclusive Report, Middle East Conflict Geopolitical Lead’ ব্রেকিং নিউজ। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক্সক্লুসিভ তথ্য, ২,৮০০ ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসংখ্যান, হরমুজ প্রণালীর দ্বীপগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ভেতরের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের সমস্ত সঠিক সামরিক ও প্রশাসনিক পরিভাষাগুলো সঠিক কাঠামোয় এনে তুমি এটি ডেস্কে অত্যন্ত নিখুঁত ও পেশাদারভাবে প্রস্তুত করেছ।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *