আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতা এবং সরবরাহের উৎস বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। দীর্ঘ ৭ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা শুরু করেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক এই দেশটি। আজ রবিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।২০১৯ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের মেয়াদে
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতা এবং সরবরাহের উৎস বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। দীর্ঘ ৭ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা শুরু করেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক এই দেশটি। আজ রবিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।২০১৯ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের মেয়াদে ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ভারত ইরানি তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা সত্ত্বেও ভারত তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরানের সাথে পুনরায় বাণিজ্য শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।১. সাশ্রয়ী মূল্য: ইরান সাধারণত ভারতকে তেলের দামে বিশেষ ছাড় এবং সহজ কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের সুযোগ দিয়ে থাকে। ২. জ্বালানি নিরাপত্তা: রাশিয়ার ওপর অতি-নির্ভরশীলতা কমিয়ে আমদানির উৎস বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দেওয়া। ৩. চাবাহার বন্দর ও সংযোগ: ইরানের চাবাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্য এশিয়ায় ভারতের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে তেহরানের সাথে বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।ভারত এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নিলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং সম্প্রতি ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। দিল্লির এই পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের সাথে তাদের সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জাতীয় স্বার্থ ও ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণই তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *