মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এক অভাবনীয় ও চরম কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। আজ রবিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, ইরানি ভূখণ্ডে বা তার সন্নিকটে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় ট্রান্সপোর্ট বিমান কোনো কারণে আটকা পড়লে, সেগুলো ইরানি বাহিনীর হাতে পড়ার ভয়ে নিজেরাই ধ্বংস করে দিয়েছে মার্কিন কমান্ডোরা। পেন্টাগন ও আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে,
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এক অভাবনীয় ও চরম কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। আজ রবিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, ইরানি ভূখণ্ডে বা তার সন্নিকটে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় ট্রান্সপোর্ট বিমান কোনো কারণে আটকা পড়লে, সেগুলো ইরানি বাহিনীর হাতে পড়ার ভয়ে নিজেরাই ধ্বংস করে দিয়েছে মার্কিন কমান্ডোরা। পেন্টাগন ও আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বিমান দুটিতে অত্যন্ত উন্নত রাডার ব্যবস্থা, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং স্পর্শকাতর সামরিক তথ্য ছিল, যা ইরানের হাতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারত। এর আগে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষ উন্নত মার্কিন ড্রোন বা যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রযুক্তি হাতিয়ে নেওয়ার নজির থাকায়, এবার আগেভাগেই এই কঠোর ‘সেলফ-ডেসট্রাক্ট’ বা ধ্বংসকরণ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যানের পর ইরান যখন ‘বড় চমক’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, তখন নিজেদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব ও গোপনীয়তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। যদিও এই বিমান দুটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছিল নাকি ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে, তবে মার্কিন বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে বিমানের কোনো অংশ এখন আর ব্যবহারের উপযোগী নেই। এই ঘটনাটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র স্নায়ুযুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলল এবং ওয়াশিংটন তাদের সামরিক সম্পদের সুরক্ষায় কতটা আপসহীন, তা আবারও প্রমাণিত হলো।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *