আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক | ২৬ জুন ২০২৬ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর সেখানে আটকে পড়া শত শত নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার বা উদ্ধারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ওমান উপকূলের কাছাকাছি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময়
আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক | ২৬ জুন ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর সেখানে আটকে পড়া শত শত নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার বা উদ্ধারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ওমান উপকূলের কাছাকাছি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) আঘাতে একটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৩讯 জুন) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) ওই যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে আটকে পড়া নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি বিশেষ উদ্ধার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল। তবে বৃহস্পতিবারের নতুন হামলার পর আইএমওর মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ এক বিবৃতিতে জানান, আক্রান্ত জাহাজটি জাতিসংঘের নির্ধারিত উদ্ধার কাঠামোর আওতায় ছিল না। তিনি সাফ বলেন, “আমাদের কাছে নাবিকদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই ওই অঞ্চলের নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও স্পষ্ট তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত এই উদ্ধার পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হচ্ছে।”
এদিকে, এই উদ্ধার রুট নিয়ে তীব্র আপত্তি ও হুঁশিয়ারি জানিয়েছে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড’ (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, কিছু আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ তেহরানের সাথে কোনো প্রকার সমন্বয় বা পূর্ব তথ্য না দিয়েই হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন রুট ঘোষণা করেছে, যা চরম বিপজ্জনক এবং অগ্রহণযোগ্য। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার নিশ্চিত করেছে যে, হামলায় একটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এই ঘটনার পর লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, হামলার আতঙ্কে অন্তত দুটি বড় তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেও মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে। আইএমওর তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে এ পর্যন্ত ১৪ জন নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং বর্তমানে প্রায় ৬০০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই উত্তপ্ত সাগরে অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *