নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় রান্নাঘরে কাজ করার সময় এক বিষধর সাপের কামড়ে শাহানাজ আক্তার (২৫) নামের এক তরুণী গৃহবধূর অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শাহানাজ উপজেলার মীরওয়ারিশপুর গ্রামের চাপরাশি বাড়ির জায়েদ হোসেনের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, গত রবিবার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় রান্নাঘরে কাজ করার সময় এক বিষধর সাপের কামড়ে শাহানাজ আক্তার (২৫) নামের এক তরুণী গৃহবধূর অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শাহানাজ উপজেলার মীরওয়ারিশপুর গ্রামের চাপরাশি বাড়ির জায়েদ হোসেনের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, গত রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) দুপুরে শাহানাজ তাঁর ঘরের রান্নাঘরে দুপুরের খাবার তৈরির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তরকারিতে দেওয়ার জন্য রান্নাঘরের একটি সাধারণ তাক বা র্যাক থেকে পেঁয়াজ নিতে হাত বাড়ান তিনি। ঠিক তখনই সেখানে আগে থেকে ওত পেতে লুকিয়ে থাকা একটি অত্যন্ত বিষধর সাপ তাঁর হাতে সজোরে ছোবল মারে। সাপের কামড় খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে প্রথমে ওঝা বা কবিরাজ ডেকে স্থানীয়ভাবে সনাতন পদ্ধতিতে চিকিৎসার চেষ্টা চালান, যা রোগীর অবস্থাকে আরও সংকটাপন্ন করে তোলে। পরবর্তীতে অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে বেলা আড়াইটার দিকে তাঁকে দ্রুত নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রাজীব আহমেদ চৌধুরী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই বিষ শরীরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, ঘটনাটি সামাজিক বা স্থানীয় মাধ্যমে শুনলেও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। বর্ষাকালে ঘরবাড়ির আনাচে-কানাচে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় গ্রামীণ জনপদে রান্নাঘর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *