টানা কয়েকদিনের রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বন্যার এই তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি প্রাণিসম্পদ খাত। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন নিচু এলাকা ও খামারে ১ লাখ ১২
টানা কয়েকদিনের রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বন্যার এই তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি প্রাণিসম্পদ খাত। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন নিচু এলাকা ও খামারে ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি গবাদিপশু (গরু, মহিষ, ছাগল) এবং হাঁস-মুরগির মৃত্যু হয়েছে। অনেক এলাকায় পোল্ট্রি খামারগুলোর শেড ও গোয়ালঘর আকস্মিক পানির তোড়ে সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ায় খামারিরা তাঁদের পশু-পাখি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ পাননি। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে চট্টগ্রামের দুগ্ধ ও পোল্ট্রি খামারিদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বন্যার পানি ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ায় শুধু পশুপাখির মৃত্যুই ঘটেনি, বরং টিকে থাকা গবাদিপশুর জন্য তীব্র খাদ্য ও গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের বহু ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারি ব্যাংক ঋণ নিয়ে খামার গড়ে তুলেছিলেন, কিন্তু এই বন্যায় সবকিছু হারিয়ে তারা এখন সম্পূর্ণ সর্বস্বান্ত ও দিশেহারা। স্থানীয় খামারিরা এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক প্রণোদনা ও বিনামূল্যে পশুখাদ্য সরবরাহের জন্য বিশেষ আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *