ভারতের কলকাতার হোটেল শিখা ইনে গত বুধবার রাতে ঘটে যাওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯ জন মানুষ, যাদের মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক এবং এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উক্ত অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, স্ত্রী
ভারতের কলকাতার হোটেল শিখা ইনে গত বুধবার রাতে ঘটে যাওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯ জন মানুষ, যাদের মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক এবং এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উক্ত অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, স্ত্রী আফসানা ও শ্বশুর আকরাম আলী এবং সাভারের বাসিন্দা আহমেদ বাবুর মরদেহ শনিবার বিকেলে যশোর সীমান্তে অবস্থিত বেনাপোল স্থলবন্দরে আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এসে পৌঁছায়। সেখানে ইমিগ্রেশন ও প্রশাসনিক যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে ওইদিন রাতেই মরদেহগুলো তাঁদের স্বজনদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় এবং পরে লাশবাহী গাড়িতে করে স্বজনরা নিজ নিজ বাসস্থানের উদ্দেশে রওনা হন; পরবর্তীতে শনিবার রাতেই কুষ্টিয়ায় পৌঁছে সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তের মরদেহ সৎকার করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ আজ রোববার ভোরের দিকে দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা ও শ্বশুর আকরাম আলীর মরদেহ দাফনের মাধ্যমে তাঁদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। অন্যদিকে, এই একই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাজু নামে পরিচিত আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে এসে পৌঁছালে যাবতীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁর ছোট ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সেখান থেকে লাশবাহী গাড়িতে করে মরদেহ কালীগঞ্জের বরেয়া গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে বাদ আসর জানাজা শেষ করে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়; তবে এই অগ্নিকাণ্ডের শিকার রেবতী সরকার নামে অপর এক নিহত বাংলাদেশির মরদেহ তাঁর পরিবারের সার্বিক ইচ্ছায় ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কলকাতার ঐতিহাসিক নিমতলা শ্মশানেই সৎকার করা হয়েছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *