আজ ১৭ নভেম্বর ২০২৫, বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর ইচ্ছানুযায়ী যমুনা তীরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাঁকে দাফন করা হয়। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণকারী
আজ ১৭ নভেম্বর ২০২৫, বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর ইচ্ছানুযায়ী যমুনা তীরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাঁকে দাফন করা হয়।
১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণকারী ভাসানী কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হন। দীর্ঘদিন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি থাকার পাশাপাশি টঙ্ক আন্দোলন, লাইন-প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারি বিরোধী সংগ্রামসহ খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন লড়াই করেছেন। ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইলে তাঁর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কাগমারী সম্মেলন স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা যুগিয়েছিল।
নির্মোহ, সাদামাটা জীবনযাপনের জন্য বিখ্যাত ভাসানী কখনো ক্ষমতার মোহে পড়েননি। ভাষা আন্দোলন, আইয়ুব-বিরোধী গণআন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয়। “ভাসানীর নৌকা স্রোতের বিপরীতে চলে” – এই স্লোগানে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদ উভয়ের বিরুদ্ধেই তিনি সোচ্চার ছিলেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিবৃতিতে বলেন, “মাওলানা ভাসানী আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। সাম্রাজ্যবাদ-উপনিবেশবাদ-শোষণবিরোধী সংগ্রামে ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তানি শাসন পর্যন্ত তিনি মজলুম জনগণের পক্ষে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর অগাধ দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা যুগ যুগ আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর আদর্শ সঠিকভাবে অনুসরণ করলেই আমরা অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব।”
টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ভাসানী ফাউন্ডেশন, বিএনপি গঠিত ‘মাওলানা ভাসানী মৃত্যুবার্ষিকী পালন জাতীয় কমিটি’সহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। সন্তোষে চলছে সাত দিনের ‘ভাসানী মেলা’। বিএনপি কমিটির দু’দিনের কর্মসূচিতে মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বামপন্থী দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোও শ্রদ্ধা জানিয়ে ভাসানীর সাম্য-ন্যায়ের আদর্শ পুনর্ব্যক্ত করেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *