কমনওয়েলথ মহাসচিব আজ ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর এ আগমনকে কেন্দ্র করে সরকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, উন্নয়নখাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিয়েছে। কমনওয়েলথের সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ বহু বছর ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে, আর সেই সম্পর্ক
কমনওয়েলথ মহাসচিব আজ ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর এ আগমনকে কেন্দ্র করে সরকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, উন্নয়নখাতের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিয়েছে। কমনওয়েলথের সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ বহু বছর ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে, আর সেই সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে এই সফরকে ঘিরে।
মহাসচিবের এ সফরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, যুবসম্প্রদায়ের দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ, তাই কমনওয়েলথের সহযোগিতা এই খাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নেও দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বহুপাক্ষিক সম্পর্ক সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। কমনওয়েলথ মহাসচিবের সফর শুধু রাজনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং বাস্তব সহযোগিতা বাড়ানোর একটি সুযোগ। এ সফরের মাধ্যমে মুখোমুখি আলোচনা, দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ শক্তিশালীকরণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সমন্বয় আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ঢাকায় তাঁর উপস্থিতি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও সক্রিয় ও দৃঢ়ভাবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *