শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বড় সুখবর। সোমবার (২৫ নভেম্বর ২০২৫) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ১৯ বছরের পুরোনো Noise Pollution (Control) Rules, 2006 বাতিল করে নতুন Noise Pollution (Control) Rules, 2025 জারি করেছে। পুরোনো বিধির সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা ছিল — শুধু এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটই শাস্তি দিতে পারতেন। ফলে জনবলের অভাবে আইন কার্যত কাগজে-কলমে থেকে যেত। নতুন বিধিতে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বড় সুখবর। সোমবার (২৫ নভেম্বর ২০২৫) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ১৯ বছরের পুরোনো Noise Pollution (Control) Rules, 2006 বাতিল করে নতুন Noise Pollution (Control) Rules, 2025 জারি করেছে।
পুরোনো বিধির সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা ছিল — শুধু এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটই শাস্তি দিতে পারতেন। ফলে জনবলের অভাবে আইন কার্যত কাগজে-কলমে থেকে যেত। নতুন বিধিতে সেই বাধা দূর হয়েছে।
মূল পরিবর্তন:এখন থেকে সার্জেন্ট, এএসআই ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার যেকোনো ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা শব্দদূষণ আইন লঙ্ঘন দেখলে ঘটনাস্থলেই জরিমানা করতে পারবেন।Rule 6 এর sub-rule (2), (3) ও (4) লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আর ম্যাজিস্ট্রেটের অপেক্ষা করতে হবে না।হাইড্রলিক হর্ন, অতিরিক্ত লাউডস্পিকার, রাতে নির্মাণকাজের শব্দ, মাইকের অপব্যবহার — সবকিছুতেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “এই ক্ষমতা ট্রাফিক পুলিশের হাতে দেওয়ায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে।”নতুন বিধি আজ থেকেই কার্যকর। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ ও জরিমানার রসিদ বই সরবরাহ করা শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে অন্যান্য মহানগর ও জেলায়ও একই প্রক্রিয়া চালু হবে।শব্দদূষণের বিরুদ্ধে এতদিনের অভিযোগ ছিল — ‘আইন আছে, প্রয়োগ নেই’। ২০২৫-এর এই নতুন বিধি সেই অভিযোগের অবসান ঘটাতে চলেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *