728 x 90

 তিন পদে ৮২৬ জনের পদোন্নতি; নতুন কর্মস্থলে যোগদানের মেয়াদ ১ ডিসেম্বর।

 তিন পদে ৮২৬ জনের পদোন্নতি; নতুন কর্মস্থলে যোগদানের মেয়াদ ১ ডিসেম্বর।

নিম্ন আদালতের ব্যাপক পুনর্বিন্যাসে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সারাদেশে ৮২৬ বিচারকের পদোন্নতি ও বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা তাৎক্ষণিক কার্যকর। উপসচিব এ এফ এম গোলজার রহমানের স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপন ২৬ নভেম্বর, ২০২৫-এর বুধবার প্রকাশিত হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশেষ করে

নিম্ন আদালতের ব্যাপক পুনর্বিন্যাসে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সারাদেশে ৮২৬ বিচারকের পদোন্নতি ও বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা তাৎক্ষণিক কার্যকর। উপসচিব এ এফ এম গোলজার রহমানের স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপন ২৬ নভেম্বর, ২০২৫-এর বুধবার প্রকাশিত হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশেষ করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মামলায়।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে, তিনটি পদে মোট ৮২৬ জনের পদোন্নতি ও পদায়ন হয়েছে: অতিরিক্ত জেলা জজ থেকে জেলা জজে ২৫০ জন, যুগ্ঞ জেলা জজ থেকে অতিরিক্ত জেলা জজে ২৯৪ জন এবং সিনিয়র সহকারী জজ থেকে যুগ্ঞ জেলা জজে ২৮২ জন। সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় একক-ব্যাচ পুনর্বিন্যাস এটি, যা পদশূন্যতা পূরণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সারাদেশের অধীনস্থ আদালতে কাজের চাপের পুনর্বণ্টনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ আদালতের পরামর্শে এই বদলি সম্পন্ন হয়েছে, যা সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির কর্তৃত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ২৭ নভেম্বরের মধ্যে বর্তমান দায়িত্ব মনোনীত উত্তরসূরির কাছে হস্তান্তর করতে হবে এবং নতুন কর্মস্থলে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে যোগদান করতে হবে। এই সময়সীমা বিচার সেবার অবিচ্ছিন্নতা বজায় রাখার জরুরিতা তুলে ধরে, বিশেষ করে সিভিল, ফৌজদারি এবং নির্বাচনী বিরোধের উচ্চ কেসলোডযুক্ত জেলাগুলোতে। আইনি বিশেষজ্ঞরা এই পদক্ষেপকে বিচার সংস্কারের ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে স্বাগত জানিয়েছেন, যা প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের চলমান রোডম্যাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ—যার মধ্যে ২০২৫-এর বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ এবং পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবি অন্তর্ভুক্ত। তবে, কিছু সমালোচক মনে করছেন, বড় আকারের বদলি চলমান বিচারক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটাতে পারে, যদিও মন্ত্রণালয় হস্তান্তরের ওভারল্যাপিংয়ের মাধ্যমে প্রভাব কমানোর আশ্বাস দিয়েছে।

এই ঘটনা ২০২৫-এর আগের ছোট আকারের পুনর্বিন্যাসের পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে, যেমন সেপ্টেম্বরে ১০ বিচারকের বদলি এবং প্রত্যেক জেলায় সেশনস বিভাগের পুনর্গঠন। ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এই পুনর্বিন্যাস বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা ও প্রস্তুতি শক্তিশালী করার প্রাক-করণীয় ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত, যা ২০২৪-এর পর শুরু করা সংস্কারের উপর ভিত্তি করে জনগণের আস্থা বাড়াতে সাহায্য করবে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos