২০১১ সালে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মরণে ঢাকার ডিপ্লোমেটিক জোনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত এই সড়কটি এখন ‘ফেলানী এভিনিউ’ নামে পরিচিত, যা সীমান্তে অমানবিক হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতিবাদী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। ফেলানী, মাত্র ১৫ বছর বয়সী একটি নিরীহ কিশোরী, যিনি সীমান্ত পারাপারের সময়
২০১১ সালে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মরণে ঢাকার ডিপ্লোমেটিক জোনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত এই সড়কটি এখন ‘ফেলানী এভিনিউ’ নামে পরিচিত, যা সীমান্তে অমানবিক হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতিবাদী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। ফেলানী, মাত্র ১৫ বছর বয়সী একটি নিরীহ কিশোরী, যিনি সীমান্ত পারাপারের সময় বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান, তার মৃত্যু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে একটি চরম অমানবিকতার উদাহরণ হয়ে উঠেছে। এই নামকরণের মাধ্যমে সরকার ফেলানীর মতো অসংখ্য সীমান্তবাসীর অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা প্রকাশ করেছে, যা শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন নয়, বরং ন্যায়বিচারের দাবিতে একটি চিরস্থায়ী প্রতীক। এই এভিনিউটি দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি মানবাধিকার সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং এটি ভবিষ্যতে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *