দেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র এবং হাওর-জলাভূমির ইকোসিস্টেম রক্ষায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি অবৈধভাবে হাওর কিংবা সরকারি জলাভূমি দখল করে অথবা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে মাছ শিকার করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। মৎস্য
দেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র এবং হাওর-জলাভূমির ইকোসিস্টেম রক্ষায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি অবৈধভাবে হাওর কিংবা সরকারি জলাভূমি দখল করে অথবা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে মাছ শিকার করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে এই আইন বাস্তবায়নে সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাওর ভরাট এবং যত্রতত্র বাঁধ দিয়ে জলাশয় দখলের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্তির পথে। এছাড়া কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর ফাঁদ ব্যবহার করে মা মাছ নিধন করায় প্রাকৃতিক প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নতুন এই বিধানে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র পেশাদার নিবন্ধিত মৎস্যজীবীরা নির্দিষ্ট সময়ে মাছ শিকার করতে পারবেন। যেকোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা জলাভূমির গতিপথ পরিবর্তন করা হলে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই তা উচ্ছেদ করা হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাধারণ মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করতে এই কঠোর আইন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *