দীর্ঘ ২৮ বছর আগে যখন তিনি কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে বন্দি হয়েছিলেন, তখন পৃথিবীটা ছিল অন্যরকম। সময়ের পরিক্রমায় পৃথিবী বদলেছে, বদলেছে সমাজ, কিন্তু রাহেলা বেগমের জীবন থমকে ছিল অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। অবশেষে কারা কর্তৃপক্ষের বিশেষ মানবিক উদ্যোগ এবং আইনি জটিলতা নিরসনের প্রচেষ্টায় মুক্ত আকাশের নিচে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেলেন তিনি। জানা গেছে, দীর্ঘ এই সময়ে তিনি
দীর্ঘ ২৮ বছর আগে যখন তিনি কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে বন্দি হয়েছিলেন, তখন পৃথিবীটা ছিল অন্যরকম। সময়ের পরিক্রমায় পৃথিবী বদলেছে, বদলেছে সমাজ, কিন্তু রাহেলা বেগমের জীবন থমকে ছিল অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। অবশেষে কারা কর্তৃপক্ষের বিশেষ মানবিক উদ্যোগ এবং আইনি জটিলতা নিরসনের প্রচেষ্টায় মুক্ত আকাশের নিচে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেলেন তিনি। জানা গেছে, দীর্ঘ এই সময়ে তিনি কারাগারের নিয়ম-কানুন মেনে চলা এবং তার আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ তার মুক্তির জন্য বিশেষ সুপারিশ করে। যৌবন পার করে বার্ধক্যের শুরুতে এসে রাহেলা বেগম যখন কারাগার থেকে বের হলেন, তখন তার চোখে ছিল আনন্দ আর বিষাদের মিশ্র অশ্রু। পরিবারের অনেক সদস্যকে তিনি হারিয়েছেন, হারিয়েছেন জীবনের সেরা সময়গুলো। তবুও এই শেষ বেলায় বাড়ি ফিরতে পারার আনন্দ তাকে আপ্লুত করেছে। কারা কর্মকর্তাদের মতে, এটি একটি দৃষ্টান্তমূলক মানবিক পদক্ষেপ যা আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে অসহায় বন্দিদের আলোর পথ দেখায়।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *