যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপ ও নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকির মুখেও নিজের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে একরোখা অবস্থানে রয়েছে ইরান। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ওমানে মার্কিন প্রতিনিধিদের সাথে এক পরোক্ষ আলোচনার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার; এটি কখনো আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল না এবং ভবিষ্যতেও হবে না।”
যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপ ও নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকির মুখেও নিজের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে একরোখা অবস্থানে রয়েছে ইরান। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ওমানে মার্কিন প্রতিনিধিদের সাথে এক পরোক্ষ আলোচনার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার; এটি কখনো আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল না এবং ভবিষ্যতেও হবে না।” আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কেবল আত্মরক্ষার স্বার্থে তৈরি এবং এটি নিয়ে কোনো দেশের সাথে আপস করার প্রশ্নই ওঠে না।
এর আগে ওয়াশিংটন দাবি করেছিল যে, যেকোনো নতুন চুক্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে ইরান এই দাবিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। উল্টো শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে তারা ভূগর্ভস্থ ‘মিসাইল সিটি’ থেকে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের খবর প্রচার করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক কর্মসূচিতে ইরান কিছুটা নমনীয়তা দেখালেও প্রতিরক্ষা খাতে তারা নিজেদের ‘রেড লাইন’ বজায় রাখছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *