নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও কয়েক ধাপ বাড়িয়ে নিতে চীনের তৈরি অত্যাধুনিক সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সূত্রে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইরানের সামরিক প্রভাব কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চীনের এই সুপারসনিক
নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও কয়েক ধাপ বাড়িয়ে নিতে চীনের তৈরি অত্যাধুনিক সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সূত্রে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইরানের সামরিক প্রভাব কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চীনের এই সুপারসনিক মিসাইলগুলো শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করতে পারে। আধুনিক রাডার ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার সক্ষমতা থাকায় এই মিসাইলগুলো বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সামুদ্রিক অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত। ইরান এই প্রযুক্তি হাতে পেলে পারস্য উপসাগর এবং লোহিত সাগরে মার্কিন ও পশ্চিমা নৌবহরের জন্য বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
তেহরান ও বেইজিংয়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও এই চুক্তির মোট অর্থমূল্য বা মিসাইলের সংখ্যা নিয়ে কোনো পক্ষই এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি, তবে প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপে ইসরায়েল ও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *