বুধবার (২৯ এপ্রিল) ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলারে ঠেকেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের হুমকির পর বিশ্ববাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে নিত্যপণ্যের দাম ও মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলারে ঠেকেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের হুমকির পর বিশ্ববাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে নিত্যপণ্যের দাম ও মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ দীর্ঘায়িত করার ঘোষণা দেওয়ার পরেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামে এই ব্যাপক উল্লম্ফন দেখা দেয়। হোয়াইট হাউসে বড় বড় জ্বালানি কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের পর বাজার আরও অস্থির হয়ে ওঠে। মূলত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হওয়ার ফলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, তেলের দাম যদি দীর্ঘ সময় ১২০ ডলারের ওপরে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরণের মন্দা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে পরিবহন খরচ বাড়ার ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই আঞ্চলিক সংঘাত এখন পুরো বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *