728 x 90

ইরানের প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’র আওতায় এই বিশাল সাফল্যের দাবি করেছেন। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল ডিজিটাল সম্পদই নয়, বরং ইরানি ব্যাংক হিসাব এবং তেল বাণিজ্যের ওপরও কড়া নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। তবে ইরান এই দাবিকে ‘অসার’ বলে উপহাস করেছে এবং একে তেলের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে।

দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’র আওতায় এই বিশাল সাফল্যের দাবি করেছেন। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল ডিজিটাল সম্পদই নয়, বরং ইরানি ব্যাংক হিসাব এবং তেল বাণিজ্যের ওপরও কড়া নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। তবে ইরান এই দাবিকে ‘অসার’ বলে উপহাস করেছে এবং একে তেলের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। বেসেন্ট জানান, আগে ১০ কোটি ডলার জব্দ করা হয়েছিল এবং বর্তমানে নতুন করে আরও ৩৫ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া এই অর্থনৈতিক অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের আয়ের উৎসগুলো চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া। মার্কিন অর্থমন্ত্রী হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, কোনো দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক যদি ইরানি তেলের লেনদেন করে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’ আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, এই নৌ-অবরোধ এবং ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করার ফলে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মুখে পড়বে।

অন্যদিকে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। আল-জাজিরার তথ্যমতে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মার্কিন অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ‘অসার’ বা ‘আবর্জনা’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইরান মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসী পদক্ষেপের ফলে উল্টো আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের জন্যই নেতিবাচক হয়ে দাঁড়াবে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories