পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মূলত ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানের সমালোচনা করায় জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মারৎজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই পদক্ষেপ ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকে
পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মূলত ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানের সমালোচনা করায় জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মারৎজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই পদক্ষেপ ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকে সংকুচিত করবে।
আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ের দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন এখন সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, ন্যাটোর অন্যতম প্রধান মিত্র জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এই সংক্রান্ত একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন।
পেন্টাগন মুখপাত্র সিন পারনেল জানিয়েছেন, বর্তমানে জার্মানিতে ৩৬ হাজার ৪০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা ইউরোপের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে ৫ হাজার সেনাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মারৎজের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এই কঠোর পদক্ষেপ নিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি মারৎজ ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেছিলেন যে, ইরান আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্রকে বিব্রত করছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প ইউরোপে সেনা কমানোর যে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ তারই বাস্তবায়ন। এই সিদ্ধান্ত কেবল জার্মানি নয়, বরং সামগ্রিকভাবে ন্যাটো জোটের নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *