রাজনৈতিক প্রতিবেদক | ১৫运行 জুন ২০২৬ দেশে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ বা তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও, মাঠপর্যায়ে প্রার্থী বাছাই ও দলের ভেতরের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরে। এবারের স্থানীয় নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায়, সবচেয়ে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীকে সবুজ সংকেত দিতে দলটির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম তিনটি
রাজনৈতিক প্রতিবেদক | ১৫运行 জুন ২০২৬
দেশে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ বা তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও, মাঠপর্যায়ে প্রার্থী বাছাই ও দলের ভেতরের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরে। এবারের স্থানীয় নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায়, সবচেয়ে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীকে সবুজ সংকেত দিতে দলটির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম তিনটি প্রধান শর্ত বা মানদণ্ড চূড়ান্ত করেছে। দলের সিনিয়র নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, এলাকায় প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, দলের প্রতি অতীত ত্যাগ ও অবদান এবং প্রার্থীর নিজস্ব যোগ্যতা—এই তিনটি বিষয়কে বিচার-বিশ্লেষণ করেই বিএনপি এবার প্রার্থীদের সমর্থন দেবে। একই সাথে, সাধারণ সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় পর্যায়ের ভোটেও শরিক দলগুলোর সাথে সমন্বয় রেখে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করার বড় পরিকল্পনা করছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিএনপির এক উচ্চপর্যায়ের সাংগঠনিক সভায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় নির্বাচনে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেছেন যে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, অবাধ ও প্রতিযোগিতামূলক হবে। আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো প্রশাসনিক বা দলীয় জোর খাটিয়ে কাউকে বিজয়ী করে আনার কোনো সুযোগ এবার দেওয়া হবে না। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে এবং প্রতিটি ইউনিয়নে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে দলের সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে ইতিমধ্যে একটি বার্তা পাঠানো হয়েছে যে, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং এরপর পর্যায়ক্রমে পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই বার্তা পাওয়ার পর থেকেই দলটির সমর্থনপ্রত্যাশী প্রার্থীরা এলাকায় এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। তবে একেকটি ইউনিয়নে বিএনপির টিকিট বা সমর্থন পাওয়ার জন্য চার থেকে পাঁচ জন প্রার্থী মাঠে সক্রিয় আছেন, যাদের কেউ স্থানীয় এমপির অনুগত আবার কেউবা ভিন্ন গ্রুপের। এছাড়া ভোটের মাঠে জামায়াত ও অন্যান্য দলের একক প্রার্থী এবং নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত প্রার্থীরাও স্বতন্ত্রভাবে থাকবেন। এমন বাস্তবতায় বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, কোনো নেতার ব্যক্তিগত বলয়ের লোক নয়, বরং আঞ্চলিকতা, গোষ্ঠীগত হিসাব এবং প্রার্থীর একক গ্রহণযোগ্যতা দেখেই কেন্দ্র থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। ২০২৬ সালের এই নির্বাচনকে বিএনপি নিজেদের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা এবং জনপ্রিয়তা প্রমাণের সুযোগ হিসেবে দেখছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *