অনলাইন ডেস্ক | ১৪ জুন ২০২৬ রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে পাশবিক ধর্ষণ ও নির্মম শিরশ্ছেদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। আজ রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী এবং বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের
অনলাইন ডেস্ক | ১৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে পাশবিক ধর্ষণ ও নির্মম শিরশ্ছেদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। আজ রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী এবং বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি প্রফেশনাল ডিভিশন বেঞ্চ এই আপিল আবেদনগুলো গ্রহণের কন্ডিশন চূড়ান্ত করেন। আজই এই আবেদনগুলোর গ্রহণযোগ্যতার ওপর আদালতে আইনি শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে নিম্ন আদালত থেকে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আইনি প্রটোকল বা ডেটা সম্বলিত ‘ডেথ রেফারেন্স’ নথিপত্র হাইকোর্ট বিভাগে এসে পৌঁছায়, যা এই মামলার উচ্চ আদালতের আইনি লজিস্টিকস প্রক্রিয়াকে সচল করেছে।
দেশের বিচারিক চেইনের ইতিহাসে অন্যতম দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই স্পর্শকাতর মামলার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক মাসরুর সালেকীন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক প্রধান দুই অভিযুক্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে প্রফেশনাল অর্থদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন। আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালতের এই ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য উচ্চ আদালতের সুনির্দিষ্ট অনুমোদনের কন্ডিশন বাধ্যতামূলক হওয়ায় ডেথ রেফারেন্সের পাশাপাশি আসামিদের পক্ষ থেকেও এই জেল আপিল দায়ের করা হয়। বিচারিক আদালতের প্রফেশনাল পর্যবেক্ষণ ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দেওয়া সাজার কার্যকারিতা এখন উচ্চ আদালতের এই লজিস্টিকস বেঞ্চের শুনানির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী এলাকার একটি আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে প্রতিবেশী সোহেল রানার ঘর থেকে শিশু রামিসার ক্ষতবিক্ষত ও শিরশ্ছেদ করা মরদেহ উদ্ধার করার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের কন্ডিশন তৈরি হয়েছিল। ঘটনার পরদিনই পল্লবী থানায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ প্রশাসন অত্যন্ত প্রফেশনাল ও লজিস্টিকস দক্ষতার সাথে মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে এবং মাত্র ছয় দিনের মাথায় আদালতে নিখুঁত অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর ১ জুন থেকে শুরু হওয়া বিচারে পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ, চিকিৎসক ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন গুরুত্বপূর্ণ প্রফেশনাল সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। ২০২৬ সালের এই মধ্যবর্তী সময়ে দেশের নারী ও শিশু সুরক্ষার আইনি কন্ডিশনে এই মামলাটি একটি দৃষ্টান্তমূলক লজিস্টিকস রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হচ্ছে এবং উচ্চ আদালতেও মামলাটির দ্রুত ও সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *