728 x 90

পাহাড় ও উপকূলে প্রকৃতির তাণ্ডব:ঢল ও বন্যায় বিপর্যস্ত ৪ জেলা, কক্সবাজারে পাহাড়ধস ও বানের পানিতে আরও ২ জনের মৃত্যু!

পাহাড় ও উপকূলে প্রকৃতির তাণ্ডব:ঢল ও বন্যায় বিপর্যস্ত ৪ জেলা, কক্সবাজারে পাহাড়ধস ও বানের পানিতে আরও ২ জনের মৃত্যু!

টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা অবিরাম বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা তীব্র পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িসহ উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের সামগ্রিক জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও পাহাড়ের প্রধান প্রধান নদী সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালির পানি এখনো

টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা অবিরাম বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা তীব্র পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িসহ উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের সামগ্রিক জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও পাহাড়ের প্রধান প্রধান নদী সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালির পানি এখনো বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল এখনো জলমগ্ন। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নতুন করে কক্সবাজারের ঝিলংজা এলাকায় রাতে এক ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় রোজিনা আক্তার নামে এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এবং পেকুয়ায় বানের পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছে এক শিশু; এছাড়া চকরিয়ায় পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে আরও এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল ও নানিয়ারচরের নিচু এলাকাগুলো এখনো পানির নিচে তলিয়ে আছে এবং বাঘাইছড়িতে পাহাড়ধস ও রাঙ্গুনিয়ার শীলক এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধসে পড়ায় খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা এবং রাঙামাটি-রাজস্থলী-বান্দরবান সড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ভারতের মিজোরাম থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশ কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে, খাগড়াছড়িতে বৃষ্টি কমায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও ছোট মেরুং এলাকায় মাইনী নদীর অববাহিকায় এখনো প্রায় ৫০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। দুর্গত এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিজিবির যৌথ সহায়তায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালানো হলেও, বৈরী আবহাওয়া ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কারণে অনেক দুর্গম ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় এখনো সরকারি-বেসরকারি কোনো সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, যার ফলে লাখো মানুষের মাঝে এখন খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের তীব্র হাহাকার বিরাজ করছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories