কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বন্যপ্রাণী ও পরিবেশপ্রেমীদের গভীর উদ্বেগের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে পাহাড় থেকে ছিটকে পড়া গুরুতর আহত মা হাতিটি। রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে আনুমানিক ২০-২৫ বছর বয়সী বিশাল আকৃতির এই বন্য হাতিটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। এর আগে গত শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে টেকনাফের নাইট্যাংপাড়ার শিয়াল্যাঘোনা পাহাড়ে খাবার
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বন্যপ্রাণী ও পরিবেশপ্রেমীদের গভীর উদ্বেগের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে পাহাড় থেকে ছিটকে পড়া গুরুতর আহত মা হাতিটি। রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে আনুমানিক ২০-২৫ বছর বয়সী বিশাল আকৃতির এই বন্য হাতিটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। এর আগে গত শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে টেকনাফের নাইট্যাংপাড়ার শিয়াল্যাঘোনা পাহাড়ে খাবার খোঁজার সময় ভারী বর্ষণের কারণে আকস্মিক মাটি ধসে পড়ে। ফলে হাতিটি প্রায় ৩০০ ফুট গভীর পাহাড়ের নিচে ছিটকে পড়ে যায়। নিচে গড়িয়ে পড়ার সময় পাহাড়ের বড় বড় গাছপালা এবং পাথরের সাথে প্রচণ্ড সংঘর্ষে হাতিটির মেরুদণ্ড এবং পেছনের দুটি পা পুরোপুরি ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম এবং খাড়া হওয়ায় আধুনিক যন্ত্রপাতি বা ক্রেন দিয়েও হাতিটিকে উদ্ধার করে লোকালয়ে বা হাসপাতালে আনা কোনোভাবেই সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি সার্জন এবং স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলেই অবস্থান নিয়ে স্যালাইন ও ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে হাতিটিকে বাঁচানোর জন্য তাদের সর্বোচ্চ ও আন্তরিক চেষ্টা চালান। বন বিভাগের টেকনাফ অঞ্চলের কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম হাতিটির মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, চিকিৎসকদের সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে হাতিটি মারা যায়। নিয়ম অনুযায়ী সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর দুর্গম পাহাড়ের ওই দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি এলাকাতেই বিশাল আকৃতির এই মৃত হাতিটিকে মাটিচাপা বা পুঁতে ফেলা হবে। পাহাড়ের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় হাতি মৃত্যুর এই ঘটনাটি স্থানীয় পরিবেশবাদীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *