728 x 90

বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৪ জনের মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে পরিণত প্রায় ৮০ হাজার ঘরবাড়ি, চার জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত!

বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৪ জনের মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে পরিণত প্রায় ৮০ হাজার ঘরবাড়ি, চার জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত!

টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা অবিরাম বর্ষণ, বন্যা ও উপর্যুপরি পাহাড়ধসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) প্রকাশিত সর্বশেষ সরকারি হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে চার জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি

টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা অবিরাম বর্ষণ, বন্যা ও উপর্যুপরি পাহাড়ধসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) প্রকাশিত সর্বশেষ সরকারি হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে চার জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে, যেখানে পাহাড়ধস ও বানের পানিতে ভেসে সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছেন। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রামে, পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন; পাশাপাশি রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই প্রলয়ংকরী বন্যায় দেশের ৪০৮টি ইউনিয়ন সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই প্রায় ৭৯,১৮৭টি বসতঘর লণ্ডভণ্ড বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু ঘরবাড়িই নয়, গ্রামীণ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়ে প্রায় ৩,৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধসে পড়েছে, যার ফলে দুর্গত এলাকাগুলো এখন সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। এছাড়া ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে গৃহহীন ও পানিবন্দি মানুষদের জন্য খোলা ৩,৯৪১টি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৩৪,৭২৩ জন অসহায় মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম চালানো হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় এবং দুর্গম অঞ্চলে পানি বন্দি থাকার কারণে লাখ লাখ মানুষ এখন খাদ্য, বস্ত্র ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories