কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফরিদা বেগম (৫৫) নামের এক গৃহবধূর ১১ টুকরো করা খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকায় শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঘরের পেছন থেকে পলিথিনে মোড়ানো ও বস্তাবন্দী অবস্থায় এই মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব
কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফরিদা বেগম (৫৫) নামের এক গৃহবধূর ১১ টুকরো করা খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকায় শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঘরের পেছন থেকে পলিথিনে মোড়ানো ও বস্তাবন্দী অবস্থায় এই মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
নিহত ফরিদা বেগম উক্ত এলাকার মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রী। তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন এবং তাঁর একটি ঘর লাইলী বেগম নামের এক নারীকে ভাড়া দেওয়া ছিল। শনিবার সকালে ফরিদা বেগমকে দেখতে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিকেলে তাঁর বোনের ছেলে মামুন ঘরের পেছনে কয়েকটি পলিথিনের প্যাকেট দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরবর্তীতে পুলিশ গিয়ে খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা জড়িত সন্দেহে ভাড়াটিয়া লাইলী বেগমকে আটক করে মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ করে। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী বেগম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং এতে তাঁর স্বামী আবুল কালাম আজাদ, রবিউল, সোহেল ও ইমনসহ আরও কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন। নিহতের নিখোঁজ মাথা ও পা উদ্ধারসহ অন্যান্য আসামিদের আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *