728 x 90

চট্টগ্রামের পাহাড় ও বনাঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে পুলিশ ও এপিবিএনের প্রযুক্তিনির্ভর নতুন কৌশল; এআই ও ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা

চট্টগ্রামের পাহাড় ও বনাঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে পুলিশ ও এপিবিএনের প্রযুক্তিনির্ভর নতুন কৌশল; এআই ও ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা

চট্টগ্রামের রাউজান; রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির দুর্গম পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া সহিংসতা; হত্যাকাণ্ড ও প্রকাশ্য অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা রুখতে কঠোর এবং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। অপরাধীদের গোপন আস্তানা নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে দুর্গম অঞ্চলে থার্মাল প্রযুক্তিসম্পন্ন অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সাথে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফেতারের লক্ষ্যে

চট্টগ্রামের রাউজান; রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির দুর্গম পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া সহিংসতা; হত্যাকাণ্ড ও প্রকাশ্য অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা রুখতে কঠোর এবং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। অপরাধীদের গোপন আস্তানা নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে দুর্গম অঞ্চলে থার্মাল প্রযুক্তিসম্পন্ন অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সাথে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফেতারের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ২০টি পয়েন্টে শতাধিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ফেস ডিটেকটিভ ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে; যা কোনো অপরাধী ক্যামেরার আওতায় এলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন ও অবস্থানের তথ্য পাঠাবে।

পাহাড়ি এলাকার ভৌগোলিক জটিলতা সামলে দ্রুত অভিযান পরিচালনার জন্য রাউজানের কদলপুর; রাঙ্গুনিয়ার সরভাট্টা ও বেতাগী এবং ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) চারটি নতুন ক্যাম্প স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানিয়েছেন যে; প্রতিটি ক্যাম্পে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ও সেমি-মিলিটারি প্রশিক্ষণে পারদর্শী এক প্লাটুন করে এপিবিএন সদস্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাহাড়ে অভিযান চালাতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে কোনো আঘাতের মুখোমুখি না হয় এবং পূর্ব থেকেই অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করা যায়; সে লক্ষ্যেই এই সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে; ফটিকছড়ির ডেভিড ইমন ও রাউজানের রাইহান গ্যাং সহ বেশ কয়েকটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ডাটাবেজ এবং ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। আধুনিক ড্রোন ও এআই সফটওয়্যারের সাহায্যে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা বহুগুণ সহজ হবে বলে মনে করছেন জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্টদের আশা; প্রস্তাবিত এপিবিএন ক্যাম্প অনুমোদন ও এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বাস্তবায়ন ঘটলে চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্গম বনাঞ্চলে দ্রুতই স্থায়ী শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা সম্ভব হবে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories