রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি পালনের সময় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চলার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিবৃতি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে অতর্কিত হামলা ও ছাদ থেকে গুলিবর্ষণের সুনির্দিষ্ট আশঙ্কার কারণে আত্মরক্ষার
রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি পালনের সময় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চলার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিবৃতি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে অতর্কিত হামলা ও ছাদ থেকে গুলিবর্ষণের সুনির্দিষ্ট আশঙ্কার কারণে আত্মরক্ষার স্বার্থেই তিনি এবং তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা যথাস্থানে রাখা হয়।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, ওই এলাকায় মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই সমন্বিত অভিযান চালানো হয়। অভিযانকালে পুলিশের সহায়তায় ৪-৫টি অবৈধ মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয় এবং হাতেনাতে ৬ জন মাদক কারবারিকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তবে গণমাধ্যমে খণ্ডিত তথ্য ও শুধু ‘অস্ত্র হাতে অভিযান’ প্রচার করে অপপ্রচারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মাদক নির্মূলে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের সামাজিক আন্দোলন ও জনস্বার্থে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *